মাহেশে জগন্নাথের স্নানযাত্রা হল অনাড়ম্বরে দুধ গঙ্গাজল দিয়ে স্নান করানো হল জগন্নাথ বলভদ্র সুভদ্রাকে।

0
17

করোনার গ্রাসে পরে এবারেও মাহেশের রথের চাকা ঘুরবে না, সিদ্ধান্ত নিয়েছে মাহেশ জগন্নাথ মন্দির ট্রাস্টি কমিটি।ধূমধাম করে রথযাত্রা উৎসব না হলেও রথ উপলক্ষে সব রীতিনীতি পালিত হবে।রথের দিন বৈদিক মতে সব রীতি পালন করা হবে।জগন্নাথ বলরাম সুভদ্রার বিগ্রহ মাসির বাড়ি না গেলেও নারায়ন শীলা নিয়ে মাসির বাড়ি যাবেন সেবাইতরা।মাহেশ জগন্নাথ মন্দিরের সেবাইত পিয়াল অধিকারী বলেন,
রীতি অনুযায়ী রথযাত্রার আগে জগন্নাথ দেবের স্নানযাত্রা উৎসব হয়।মাহেশ জগন্নাথ মন্দিরের সামনে স্নান পিঁড়ির মাঠে প্রতিবছর ধূমধাম করে হয় স্নানযাত্রা উৎসব।বহু ভক্তের সমাগম হয়।এবছর মন্দির কমিটি আগে থেকেই সিদ্ধান্ত নেয় স্নানযাত্রা উৎসব হবে না স্নান পিঁড়ির মাঠে।
জগন্নাথ বলরাম সুভদ্রার বিগ্রহ গর্ভগৃহের সামনে বের করে দের মন দুধ আর আঠাশ ঘরা গঙ্গাজল দিয়ে স্নান করানো হয়। স্নানের পর জগন্নাথের কাঁপুনি দিয়ে জ্বর আসে।লেপ কম্বল মুড়ি দিয়ে শুয়ে থাকেন জগতের নাথ।এই সময় হয় অঙ্গরাগ।ভেষজ রঙ দিয়ে জগন্নাথ দেবকে রাঙানো হয়।গর্ভগৃহের দরজা বন্ধ থাকে।কবিরাজের পাঁচন খেয়ে জ্বর ছাড়ে তারপর হয় নবযৌবন উৎসব।পরদিন রথে চেপে মাসির বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দেন জগন্নাথ বলরাম সুভদ্রা।হাজার হাজার ভক্তের সমাগম হয় প্রতিবছর।চলমান ইতিহাসের স্বাক্ষী মাহেশের রথযাত্রা।৬২৫ বছরের প্রাচীন স্নানযাত্রাতেও মহামারির কোপ পড়ল এই নিয়ে দ্বিতীয়বার।।।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে