পদ্ম শিবিরে ভাঙ্গন ধরিয়ে বাঁকুড়া জেলার পাত্রসায়রে শক্তিশালী ঘাসফুল শিবির ।

0
6

বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর থেকে রাজ্য জুড়ে বিজেপিতে ভাঙ্গন ধরেছে বাদ গেলো না বাঁকুড়া জেলাও।আজ বাঁকুড়া জেলার পাত্রসায়র ব্লকের সাতটি পঞ্চায়েত থেকে এগারো শ’ পরিবার থেকে সাড়ে চার হাজার বিজেপি কর্মী বিজেপি ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করলো । যোগদানকারীদের হাতে তৃণমূল কংগ্রেসের দলীয় পতাকা তুলে দেন বাঁকুড়া জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি শ্যামল সাঁতরা । এদিনের এই যোগদান আগামী দিনে পাত্রসায়ের ব্লক এলাকায় তৃণমূল কংগ্রেসের দলীয় সাংগঠনিক আরো মজবুত হবে এমনটাই মনে করছেন রাজনৈতিক মহল।

বিজেপির প্রতি বিজেপি কর্মীরা বীতশ্রদ্ধ । পাশাপাশি ইয়াস ঘূর্ণিঝড় তার উপর গত কয়েকদিনের একটানা বর্ষণে বন্যা পরিস্থিতি বিজেপি কর্মী সমর্থকরা সমস্যার সম্মুখীন হলে এলাকার নির্বাচিত বিধায়ক তাদের কোনো খোঁজখবর নেয়নি বলেই যোগদানকারীদের অভিযোগ। স্বাভাবিকভাবেই বিজেপি কর্মীদের মধ্যে ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে। তারই বহিঃপ্রকাশ বিজেপি ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেসে আজকের এই যোগদান বলেই দাবি বিক্ষুব্ধ বিজেপি কর্মীদের। এই যোগদানের ফলে পাত্রসায়ের ব্লক এলাকায় বিজেপির পায়ের তলার মাটি আরো দুর্বল হলো বলেই মনে করছে তৃণমূল নেতৃত্ব।

বিজেপি ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদানকারীদের দাবী নির্বাচনের পরে বিজেপি বিধায়ক আমাদের সঙ্গে কোন যোগাযোগ রাখেনি। কোনো খোঁজ খবর নেয়নি, কিন্তু তৃণমূল কংগ্রেস আমাদের সবরকম সহযোগিতা ও খোঁজখবর নিয়েছেন । তাই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়নে শামিল হতে বিজেপি ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান।

বাঁকুড়া জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি শ্যামল সাঁতরার দাবী, বিজেপি বুথ সভাপতি, মন্ডল সভাপতি, যুব মোর্চার সভাপতি, শক্তিশেল এর প্রমুখ সহ একাধিক নেতৃত্বসহ বিজেপি কর্মীরা বিজেপি ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করেছে। উদ্দেশ্য একটাই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এর হাত শক্তিশালী করা, বাংলার মানুষের কথা ভাবা। এই যোগদানের ফলে দলীয় সংগঠন আরো বেশী মজবুত হবে।

সোনামুখী বিধানসভার বিজেপি বিধায়ক দিবাকর ঘরামীর দাবি বিজেপি ছেড়ে কেউ তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করেনি ।এটা তৃণমূল কংগ্রেসের মিথ্যা অপপ্রচার । তৃণমূল কংগ্রেস যেভাবে বিজেপি কর্মীদের উপর অত্যাচার করেছে তাতে ভয়ে  দু এক জায়গা থেকে বিজেপি কর্মীরা তৃণমূলে যোগদান করলেও সোনামুখী বিধানসভা থেকে কোন বিজেপি কর্মী তৃণমূলে যায় নি বলেই দাবি বিজেপি নেতৃত্ব।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে