নীল পুজ ঘিরে বাঙালি মাতলো আজ বিভিন্ন অনুষ্টান…

0
37

বাঙালির বারো মাস পার্বণ লেগেই থাকে। পুজো বা উৎসব তার অঙ্গ। গোটা এপ্রিল মাস জুড়ে রয়েছে নানা পুজো ও অনুষ্ঠান। নীল পুজো বা নীল ষষ্ঠী। বাঙালি মায়েদের কাছে এই দিনটি বেশ গুরুত্বপূর্ণ। প্রায় প্রতিটি বাঙালি বাড়ির মহিলারাই সন্তানদের মঙ্গল কামনায় শিবের কাছে ব্রত রাখেন ও পুজো করেন ভক্তি ভরে। তবে এই পুজো মূলত মায়েদেরকেই করতে দেখা যায়। কিন্তু কেন শুধু মায়েরাই করেন এই পুজো? এই পুজোর নাম নীল ষষ্ঠী হলো কী করে? সব উত্তর মিলবে পুরোটা পড়লেই। দেবাদি দেব শিবের অপর নাম হলো নীলকণ্ঠ।সমুদ্রমন্থনের সময়বিষ উঠে আসলে পৃথিবীকে ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচাতে সেই বিষ নিজের কণ্ঠেধারণ করেছিলেন স্বয়ং মহাদেব।সেই থেকে তার কণ্ঠ নীলহয়ে যাওয়ায় তাকে অনেকেই নীলবানীলকণ্ঠনামেওআখ্যায়িতকরেন।এদিকে লোক মুখে প্রচারিত যে শিবের সঙ্গে নীলচণ্ডিকা বা নীলাবতী পরমেশ্বরীর বিয়ের অনুষ্ঠানকেই নীল ষষ্ঠীবলা হয়ে থাকে।দক্ষযজ্ঞে দেহ ত্যাগের পর সতী পুনরায় নীল ধ্বজ রাজার বিল্ব বনে দেখা দিয়েছিলেন।সেইথেকে রাজা তাঁকে নিজের মেয়ের মতো করে রেখে ছিলেন ও লালন পালন করেন।শিবের সঙ্গে ফের বিয়ে হয়ে তার।কিন্তু শেষমেশ বাসর ঘরে “মক্ষিপা” বেশে মৃত্যুবরণ করেন তিনি।মেয়েকে হারানোর শোকে রাজা-রাণীওনিজেরা মৃত্যুবরণ করেছিলেন।তাই অনেকেই বলেন যে শিব ও নীলাবতী র বিয়ের স্মারক হলএই ‘নীলপুজো’৷আরওএকটি লোক কথা না বললেই নয়।এক বামুন আর বামুনী পুজো করলে ও যত বারসন্তান হতো সে বেশি দিনবাঁচতো না।এই নিয়ে একদিন মনের কষ্টে কাশীর গঙ্গাঘাটের ওপর বসে দুজনে কাঁদছিলেন।সেই সময়ে বামনীর বেশ ধরে উদয় হন মা ষষ্ঠী বুড়ি।তিনি তাদের কষ্ট শুনে তাদের কে নীল ষষ্ঠী পালনের পরামর্শ ও নিয়ম বাতলে দেন।সংক্রান্তির আগের দিন উপোষ করে সন্ধে নাগাদ নীলাবতীর পুজো করে নীলকণ্ঠ শিবের ঘরে বাতিজ্বেলে মা ষষ্ঠীকে প্রণাম করে তবে জল পানের আদেশ দেন তিনি।এই পুজো করে নাকি সেই দম্পতি ভালো ফল পেয়েছিল।সেই থেকেই গ্রাম বাংলায় এই পুজোর চল নাকি শুরু হয়। তাই এখন ও গ্রামে ও বহু শহর এলাকায় দেখাজায় বহু ছেলে সন্যাসি সেজে বিভিন্ন বাড়ি বাড়ি গিয়ে বিভিন্ন সাজ সেজে বহু অনুষ্টান করতে

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে