ভোটের ফল প্রকাশ হতেই হাওড়া ডোমজুড় এলাকায় বিজেপি কর্মীদের বাড়ি ও দোকানে হামলা এবং ভাঙচুর।

0
1

ভোটের ফল প্রকাশ হতেই হাওড়া ডোমজুড় এলাকায় বিজেপি কর্মীদের বাড়ি ও দোকানে হামলা এবং ভাঙচুর। গতকাল রাত থেকে এই ঘটনা শুরু হয়।আজ জগদীশপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূল প্রধান গোবিন্দ হাজরার বাড়িতে তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীরা হামলা চালায় বলে অভিযোগ।তৃণমূলে থাকলেও গোবিন্দ হাজরা রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় অনুগামী ছিলেন।বিজেপির হয়ে কাজ করছিলেন বলে অভিযোগ।বেশ কয়েক জন তৃণমূল কর্মী লাঠিসোটা এবং রড নিয়ে গোবিন্দ হাজরা দ্বারা নির্মিত একটি বহুতলে ঢুকে জানলা, দরজা, আসবাবপত্র এবং এসি মেশিনে ভাঙচুর চালায় বলে অভিযোগ।এই ঘটনার পর গোবিন্দবাবু আতঙ্কে বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যান।অন্যদিকে সলপ এক নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান দীপালি পন্ডিতের বাড়িতে হামলা চালায় তৃণমূল কর্মীরা।বোমাবাজি করা হয় আজ দুপুরে এমনই অভিযোগ।ডোমজুর বিধানসভা এলাকায় রেজাল্ট বের হবার পর তৃণমূল কর্মীরা জগদীশপুর ছাড়াও বিভিন্ন এলাকায় তাদের কর্মীদের বাড়িতে হামলা চালায় ও মারধর করে বলে অভিযোগ করেন বিজেপি সদরের সভাপতি সুরজিৎ সাহা।অনেক কর্মী ঘরছাড়া।এতে তারা আতঙ্কিত। এদিকে হামলার কথা অস্বীকার করেছেন ডোমজুড়ের সদ্য জেতা তৃণমূল বিধায়ক কল্যান ঘোষ। তিনি বলেন স্থানীয় জনরোষের কারণে কিছু লোক ওই বাড়িতে ভাঙচুর চালায় বলে তিনি শুনেছেন। এতে তৃণমূলের কোন হাত নেই।উল্লেখ্য এবার বিধানসভা নির্বাচনে হাওড়ার সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ লড়াই ছিল ডোমজুর বিধানসভা কেন্দ্রে।একসময়ে তৃণমূলের হেভিওয়েট মন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপিতে যোগ দিয়ে ডোমজুর থেকে প্রার্থী হন।যা মেনে নিতে পারেননি ডোমজুর কেন্দ্রের মানুষ।প্রচার করতে গিয়ে বারবার গো ব্যাক স্লোগান ও বিক্ষোভের মুখে পড়েন রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়।তৃণমূল কংগ্রেস তাকে গদ্দার তকমা দিয়ে প্রচার চালায় এখানে।রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে এখানে জয়লাভ করা বড় চ্যালেঞ্জ ছিল।কিন্তু তিনি তৃণমূল প্রার্থী কল্যাণ ঘোষের কাছে বিপুল ভোটে পরাজিত হন।হাওড়া সদরের তৃণমূল কংগ্রেস চেয়ারম্যান অরূপ রায় জানান মানুষ উপযুক্ত জবাব দিয়েছে সুবিধাবাদী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়কে।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে