ভাঙ্গড়ের এমএলএ নওশাদ সিদ্দিকী কভিড পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনার জন্য ভাঙ্গরে যান।

0
5

আজ ভাঙ্গড়ের এমএলএ নওশাদ সিদ্দিকী কভিড পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনার জন্য ভাঙ্গরে যান। প্রথমে ভাঙ্গড় -II বিডিও সাহেবের সঙ্গে দীর্ঘক্ষন পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয় ও বেশ কিছু পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য আলোচনা হয় । তারপরে সেখান থেকে থানা ও হাসপাতালে যাবার কথা। কিছু স্বেচ্ছাসেবক ও অন্যান্য ভলেন্টিয়ার নিয়োগ করে কাজ করার জন্য ভাঙ্গড় থানা তে আইসির সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য যান। IC ব্যস্ততা দেখিয়ে সাক্ষাৎ না করে সরাসরি থানা থেকে বেরিয়ে যান । এই মুহূর্তেই থানার গেটে পঞ্চাশেরও বেশি তৃনমূলের কর্মী-সমর্থকরা জড়ো হয়ে স্লোগান দিতে থাকে । বিধায়কের বিরুদ্ধে গালাগালি ও খুনের হুমকি দিতে থাকে । তখন অন্যান্য পুলিশ আধিকারিকরা বিধায়ককে বলেন আপনি চলে যান পুলিশ এসকর্ট করে দিচ্ছে। বিধায়ক তারপরে আইসিকে ফোন করেন তার বেশ কিছুক্ষণ পরে আইসি থানায় ফিরে আসেন এবং আইসির সামনেও ওই উত্তেজিত জনতা তারা অশ্রাব্য ভাষায় গালাগালি করতে থাকে । আইসি তারপরে আমাদেরকে থানা ছেড়ে চলে যাওয়ার জন্য অনুরোধ করেন বিধায়ক নিজেও তারপরে যেতে রাজি হন । থানা থেকে বেরোনোর সময় পুলিশের উপস্থিতিতেই বিধায়কের গাড়ির উপর হামলা করে গাড়ির কাঁচ ভাঙার চেষ্টা করে এবং গালাগালি করে। বিধায়ক বলেন যখন লকডাউন চলাকালীন সময় বিপর্যয়ের মোকাবিলা আইন বলবৎ রয়েছে সেখানে এত মানুষ জড়ো হয়ে বিক্ষোভ দেখাচ্ছে অথচ পুলিশ নির্বিকার এবং একজন বিধায়ক কে যদি এরকম হুমকি শুনতে হয় এবং পুলিশ নিরপেক্ষ কোন পদক্ষেপ গ্রহণ না করে তাহলে সাধারন মানুষের কি অসহায় অবস্থা সেটা নিয়ে বিধায়ক হতাশা প্রকাশ করেন।
ফল ঘোষণার পরবর্তীতে ক্যানিং পূর্ব ভাঙ্গড় সহ বিভিন্ন জায়গায় যে হিংসা চলছে জেসিবি মেশিন দিয়ে ঘর ভাঙচুর বাড়ি ছাড়া করা হয়েছে ,জরিমানা করা হচ্ছে, দোকান বন্ধ করে দেয়া হচ্ছে তাতে মানুষ বিচার পাচ্ছে না মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আবেদন জানান হিংসা বন্ধ করে যত দ্রুত সম্ভব গণতান্ত্রিক ও শান্তির পরিবেশ ফিরিয়ে আনা যায় তার জন্য যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করুন।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে