বজ্রপাতে মৃত বাঁকুড়ার রানীবাঁধের দুই ব্যক্তির বাড়িতে আর্থিক সাহায্য পৌঁছে দিলেন রাজ্যের সেচ মন্ত্রী মানস ভুঁইয়্যা ও সাংসদ কাকলী ঘোষ দস্তিদার।

0
3

বজ্রপাতে মৃত বাঁকুড়ার রানীবাঁধের দুই ব্যক্তির বাড়িতে আর্থিক সাহায্য পৌঁছে দিলেন রাজ্যের সেচ মন্ত্রী মানস ভুঁইয়্যা ও সাংসদ কাকলী ঘোষ দস্তিদার। গতকাল রাত্রী প্রায় ১০ টা তাঁরা রানীবাঁধের ঐ দুই গ্রামে এসে পৌছায় তারা।প্রসঙ্গত, গত সোমবার দুপুর তিনটা নাগাদ রানীবাঁধের তালগোড়া গ্রামের কৃষ্ণপদ হাঁসদা (৬৩) ও জয়নগর গ্রামের বাসুদেব মাহাতো (৪০) বজ্রস্পৃষ্ট হয়ে মারা যান। ঘটনার দিন রাজ্য সরকারের তরফে বজ্রপাতে মৃত ব্যক্তিদের পরিবারের লোকেদের আর্থিক ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথা ঘোষণা করেন।এদিন রাতে রাজ্যের মন্ত্রী মানস ভুঁইয়্যা ও সাংসদ কাকলী ঘোষ দস্তিদার প্রথমে তালগোড়া গ্রামের মৃত কৃষ্ণপদ হাঁসদার বাড়িতে যান। তাঁরা রাজ্য সরকারের বিপর্যয় মোকাবিলা তহবিল থেকে দু’লক্ষ টাকা ও অন্যান্য ত্রাণ সামগ্রী এবং তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে আরো দু’লক্ষ টাকা তুলে দেন। এদিন মন্ত্রী মানস ভুঁইয়্যা ও সাংসদ কাকলী ঘোষ দস্তিদার ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় বিধায়ক ও রাজ্যের খাদ্য ও সরবরাহ দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী জ্যোৎস্না মাণ্ডি, জেলাশাসক কে.রাধিকা আইয়ার, পুলিশ সুপার ধৃতিমান সরকার, খাতড়ার মহকুমা শাসক, রানীবাঁধের বিডিও, রাইপুর ও তালডাংরার বিধায়ক মৃত্যুঞ্জয় মুর্ম্মু, অরুপ চক্রবর্ত্তী প্রমুখ।মৃতের পরিবারের তরফে রাজ্য সরকারের এই আর্থিক সাহায্যে পেয়ে খুশী বলে জানান। তবে এই মুহূর্তে সংসারের একমাত্র রোজগেরে কে হারিয়ে দীশাহারা অবস্থা। তাই একজনের চাকরী হলে ভালো হতো বলেই দাবী তোলে মৃতের পরিবারের লোকজন।মন্ত্রী মানস ভুইয়্যা বলেন, এর আগে বজ্রপাতে এতো মানুষের প্রাণ যায়নি। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উদ্বিগ্ন। তিনি একদিনে সিদ্ধান্ত নিয়ে আমাদের এখানে পাঠিয়েছেন।
শুধু আর্থিক সাহায্য নয়, আগামী দিনে এই পরিবার গুলি যাতে কোন সমস্যায় না পড়ে প্রশাসন তা দেখবে বলে তিনি জানান।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে