নন্দীগ্রামে ভোট পরবর্তী হিংসা, একাধিক বাড়িতে ভাঙচুর, গ্রেফতার তৃণমূল ও বিজেপির মোট ১৪ জন ।

0
17

দ্বিতীয় দফায় ভোটগ্রহণের দিন থেকেই উত্তপ্ত নন্দীগ্রাম । এমনকি ভোট পরবর্তী সময়েও সেই হিংসা অব্যাহত । এদিন বোয়াল, গোকুলনগর, ভেকুটিয়া-সহ বিভিন্ন এলাকায় বেশ কয়েকটি বাড়িতে ভাঙচুরের অভিযোগে তৃণমূল ও বিজেপি সমর্থক মিলিয়ে ১৪ জনকে গ্রেফতার করে তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে পুলিশ । গত ১ এপ্রিল ভোটের দিনও দুপুরে তৃণমূল এজেন্টদের বসতে না দেওয়ার অভিযোগ পেয়ে সটান নন্দীগ্রামের বয়াল অঞ্চলের ৭ নম্বর বুথে হাজির হন মমতা ব্যানার্জি । কিন্তু তৃণমূলনেত্রী সেখানে পৌঁছানোর পর উত্তেজনা আরও বেড়ে যায় । এমনকি সেই সময় তিনি ঐ বুথে বসেই কেন্দ্রীয় বাহিনী ও পোলিং অফিসারদের বিরুদ্ধে ছাপ্পা ভোটে মদত দেওয়ার অভিযোগ তুলে উপনির্বাচন কমিশনার সুদীপ জৈনকে লিখিত অভিযোগ করেন । কিন্তু এদিন কমিশন কড়া ভাষায় সেই অভিযোগ খারিজ করে দেওয়ার পর থেকেই আবার নন্দীগ্রামে অশান্তি শুরু হয়েছে । পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে বেশ কয়েকজন ইচ্ছাকৃতভাবে নন্দীগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় বাসিন্দাদের অপহরণ করা হয়েছে, তো কোথাও বোমা লুকিয়ে রাখা হয়েছে বলে গুজব ছড়াচ্ছে । এবিষয়ে এদিন পূর্ব মেদিনীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পার্থ দে জানান, এলাকায় পরিকল্পামাফিক গন্ডগোল পাকানোর চেষ্টা করছে বেশ কয়েকজন । তিনি আরও জানান যারা গুজব ছড়াচ্ছে তাদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে । কিন্তু বোয়াল, গোকুলনগর, ভেকুটিয়া সহ বিভিন্ন এলাকায় বেশ কিছু বাড়িতে কারা ভাঙচুর চালাল তা জানা যায় নি । তবে এই ঘটনায় তৃণমূল ও বিজেপি একে অপরের বিরুদ্ধে অভিযোগের আঙুল তুলেছে । তৃণমূল ও বিজেপি দুই পক্ষের তরফেই একে অপরের দিকে বাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ তুলে পুলিশের কাছে ডেপুটেশন দিয়েছে । এই ঘটনায় আপাতত তৃণমূল ও বিজেপির মোট ১৪ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ । তবে দুই পক্ষের তরফেই প্রকৃত দোষীদের গ্রেফতার করা না হলে নন্দীগ্রাম স্তব্ধ করে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে ।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে