কর্মরত অবস্থায় মৃত ভিলেজ ও সিভিক পুলিশের পরিবারের সদস্যদের ৬ মাসের মধ্যে চাকরি হল হরিশ্চন্দ্রপুরে

0
23

কর্মরত অবস্থায় মৃত ভিলেজ ও সিভিক পুলিশের পরিবারের সদস্যদের ৬ মাসের মধ্যে চাকরি হল রাজ্য সরকারেড় উদ্যোগে ধন্যবাদ জানালেন মুখ্যমন্ত্রীকে। কর্মরত অবস্থায় মৃত্যু হয়েছিল ভিলেজ ও সিভিক পুলিশের। পরিবারের একমাত্র রোজগেরে সদস্য মৃত্যু হওয়ায় বিপাকে পড়ে ছিল পরিবার।আবেদন জানিয়েছিল চাকরির। আবেদনে সাড়া মিলল ৬ মাসের মধ্যে চাকরি মৃত ভিলেজ ও সিভিক পুলিশের স্ত্রীকে।জানা গিয়েছে,ডিউটি করতে গিয়ে মৃত্যু হয়েছিল হরিশ্চন্দ্রপুর থানা এলাকার কুশিদা গ্রাম পঞ্চায়েতের ভিলেজ পুলিশ অলোক থোকদার। মৃত ভিলেজ পুলিশের পরিবারের আবেদনের সারা দিয়ে ৬ মাসের মধ্যেই মৃত ভিলেজ পুলিশের স্ত্রী বিউটি দাস থোকদারকে কুশিদা অঞ্চলের ভিলেজ পুলিশ হিসেবে নিয়োগ পত্র জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে তুলে দেওয়া হয়। এ প্রসঙ্গে অলোক থোকদারের স্ত্রী বিউটি দেবী জানান,পরিবারের একমাত্র রোজগেরে সদস্যকে হারিয়ে বিপাকে পড়ে ছিলাম। এই বিষয়ে আমি স্থানীয় থানার মাধ্যমে পুলিশ সুপারের কাছে চাকুরীর আবেদন করি। রাজ্য সরকার পাশে দাঁড়ানোয় আমি আমার স্বামীর জায়গায় নিযুক্ত হলাম ভিলেজ পুলিশ হিসাবে।
অন্যদিকে ২০২০সালে ভালুকা এলাকায় কর্তব্যরত অবস্থায় দুর্ঘটনাগ্রস্ত হয়ে মৃত্যু হয় সিভিক ভলেন্টিয়ার গৌতম ভগৎ এর। এদিন তার স্ত্রী রিতা ভগতের হাতেও সিভিক ভলেন্টিয়ার নিয়োগ পত্র তুলে দেওয়া হয়েছে।এ প্রসঙ্গে মৃত সিভিক পুলিশ গৌতম ভগতের স্ত্রী রীতা সাহা ভগৎ বলেন,”২০১৯ সালে আমার স্বামীর পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়। সেই ছিল আমাদের একমাত্র রোজগেরে সদস্য। ফলে আমরা খুব সমস্যায় পড়ে যায়। চাকুরির জন্য আইসি সাহেবের মাধ্যমে পুলিশ সুপারের কাছে আবেদন করেছিলাম। সেই আবেদন তিনি রাজ্য সরকারের কাছে পাঠান। মুখ্যমন্ত্রী আমাদের আবেদন গ্রহণ করেছেন। আমি সিভিক ভলেন্টিয়ার হিসেবে চাকরি পেলাম। মুখ্যমন্ত্রীকে আন্তরিক ভাবে ধন্যবাদ জানাই।
এ প্রসঙ্গে হরিশ্চন্দ্রপুর থানা আইসি সঞ্জয় কুমার দাস জানান। রাজ্য সরকার আগেই ঘোষণা করেছিলেন রাজ্যের কোন সিভিক বা ভিলেজ পুলিশ দূর্ঘটনায় মৃত্যু হলে তার জায়গায় তার পরিবারের একজন সদস্যকে চাকুরীতে নিয়োগ করা হবে। উনি আজি কাজে যোগ দেবেন।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে